
অনুপম মল্লিক আড়ংঘাটা প্রতিনিধি
খুলনার ডুমুরিয়ার শাহাপুর দৌলতপুর সড়কটি দীর্ঘদিনের খানাখন্দে এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে সরকার আসে সরকার যায় কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সড়কে দুর্ভোগ যেন শেষ হয় না। সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও ভাঙাচোরা অংশে দান চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।থুকড়া কাছারি বাড়ি আর আর জিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ মুজিবুর রহমান বলেন খুলনার নিরালা এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে যাতায়াত করতে গিয়ে গাড়ীর যেমন ক্ষতি হচ্ছে তেমনি শরীরে প্রচন্ড ব্যাথা হয়। থুকড়া সহকারী ভূমি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন বলেন বয়রা থেকে এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হয় প্রতিদিন বাড়ি ফেরার পর শরীরে প্রচন্ড ব্যথায় রাতে ঘুমানো কঠিন হয়ে পড়ে। আড়ংঘাটা ইউপি ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার রাজাউর রহমান প্রিন্স বলেন দৌলতপুর শাহাপুর সড়কের বেহাল দশা নিয়ে আমরা বারবার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে শাহাপুর থেকে থুকড়া পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার সড়কের কাজ ঠিকাদার অসমাপ্ত রেখে চলে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে চলছে। ডুমুরিয়া উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমিটির আহ্বায়ক নুরুন্নবী কথা বলেন সড়কের কারণে শিক্ষার্থীদের বিএল কলেজের বাস সেবা বন্ধ হয়ে গেছে। সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এই রাস্তা নিয়ে আর কথা বলতে ভালো লাগে না আমরা কি অভাগার মতো চেয়ে চেয়েই থাকবো।এদিকে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ নুরুল হুদা জানান ।শাহাপুর থুকড়া অংশের অসমাপ্ত কাজ পুনরায় সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে।থুকড়া থেকে আড়ংঘাটা বাইপাস শেষ পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার সড়কের কাজ অনুমোদনের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে পাইল ফেরত এলে ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে স্থানীয়দের প্রশ্ন আর কতদিন এই মরণ ফাঁদে চলবে মানুষ।
